খনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে--
খনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে--
-
ক
শিল্প
-
খ
কৃষি
-
গ
সাহিত্য
-
ঘ
বিজ্ঞান
খনার বচন মূলত কৃষিভিত্তিক লোকছড়া বা প্রবাদ। প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলায় কৃষি কাজের সহায়ক হিসেবে আবহাওয়া, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং চাষাবাদের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে এই বচনগুলো প্রচলিত হয়। খনার বচনের মূল ভিত্তি হলো কৃষিতত্ত্ব। মাটি পরীক্ষা, ফসল বপন ও কাটার উপযুক্ত সময় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস সংবলিত এই সংক্ষিপ্ত ছড়াগুলো যুগ যুগ ধরে বাংলার কৃষকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কার্যকরী নির্দেশিকা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
- খনা: কিংবদন্তি অনুযায়ী খনা ছিলেন একজন বিদুষী নারী এবং জ্যোতিষশাস্ত্রে পারদর্শী।
- বিষয়বস্তু: শস্যের যত্ন, ফল ও সবজি চাষ, এবং বৃষ্টিপাত বা খরার পূর্বাভাস এর প্রধান উপজীব্য।
- ঐতিহ্য: এটি বাংলা সাহিত্যের লোকসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গণ্য।
ডাক ও খনার বচন প্রাচীন যুগের সৃষ্টি হলেও মধ্যযুগের শুরুতে এগুলো সমৃদ্ধি লাভ করে। একসময়ে বাংলাদেশে ডাক ও খনার বচন ব্যাপক প্রচলিত ছিল।
ক) ডাকের বচন: বৌদ্ধদের জ্ঞানপুরুষ ডাক। এ বৌদ্ধ সমাজেই ডাকের বচনের উৎপত্তি হয়েছিল। কৃষক ও কৃষাণীরা এগুলো মুখস্থ রাখতেন। ডাক কোন একক ব্যক্তি বিশেষের নাম নাও হতে পারে। হয়ত একাধিক ব্যক্তি কালক্রমে বিশেষ জ্ঞানের যে পদগুলো রচনা করেছেন তাকেই ডাকের বচন বলা হয়। ডাকের বচন 'ডাকের কথা' বা 'ডাক পুরুষের কথা' নামেও পরিচিত। এতে জ্যোতিষ, ক্ষেত্রতত্ত্ব ও মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। যেমন:
- ঘরে আখা বাইরে রাঁধে, অল্প কেশ ফুলাইয়া বাঁধে।
খ) খনার বচন: কৃষি ও আবহাওয়ার কথা প্রাধান্য পেয়েছে।
খনা: খনার বচন প্রধানত কৃষিভিত্তিক। খনার বচন ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। বৌদ্ধ সমাজে যেমন ডাকের বচনের উৎপত্তি হয়েছিল, তেমনি হিন্দু সমাজে খনার বচনের সৃষ্টি হয়েছিল। এ বচনগুলি জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী বাঙালি নারীর রচিত বলে ধরে নেয়া হয়। খনার বচনগুলির মাধ্যমে প্রধানত কৃষি, আবহাওয়া, সমাজের পরিচয় সম্পর্কে বহুবিধ ধারণা পাওয়া যায়। যেমন:
- কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস।
- একে তো নাচুনি বুড়ি, তার উপর ঢোলের বাড়ি।
- কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।
- আলো হাওয়া বেধ না, রোগ ভোগে মরো না।
- উনা ভাতে দুনা বল, অতি ভাতে রসাতল।
- আউশ ধানে চাষ লাগে তিন মাস।
- আগে খাবে মায়ে, তবে পাবে পোয়ে।
- গাছে গাছে আগুন জ্বলে, বৃষ্টি হবে খনায় বলে।
- তেলা মাথায় ঢালো তেল, শুকনো মাথায় ভাঙ্গ বেল।
- দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ।
- ভাত দেবার মুরোদ নাই, কিল দেবার গোসাঁই।
Related Question
View Allডাক ও খনার বচনের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য কি?
-
ক
ছন্দ-বৈচিত্র
-
খ
হাস্যরস
-
গ
বিদেশি শব্দের আধিক্য
-
ঘ
ভণিতার উপস্থিতি
'খনার বচন' এর মূলভাব কী?
-
ক
সামাজিক মঙ্গলবোধ
-
খ
শুদ্ধ জীবন-যাপন রীতি
-
গ
রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি
-
ঘ
লৌকিক প্রণয় সঙ্গীত
'খনার বচন' এর মূলভাব কী?
-
ক
শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
-
খ
সামাজিক মঙ্গলবোধ
-
গ
রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি
-
ঘ
লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত
'খনার বচন' এর মূলভাব কি?
-
ক
শুদ্ধ জীবন যাপন রীতি
-
খ
সামাজিক মূল্যবোধ
-
গ
রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি
-
ঘ
লৌকিক প্রণয় সঙ্গীত
'খনার বচন' এর মূলভাব কি?
-
ক
শুদ্ধ জীবন যাপন রীতি
-
খ
সামাজিক মঙ্গলবোধ
-
গ
রাষ্ট্রপরিচালনার নীতি
-
ঘ
লৌকিক প্রণয় সঙ্গীত
নিচের কোনটি খনার বচন?
-
ক
জন-জামাই ভাগনা, তিন নয় আপনা।
-
খ
অতি চোর পাতি চোর, হতে হতে সিঁদেল চোর।
-
গ
সে কহে বিস্তর মিছা যে কহে বিস্তর।
-
ঘ
আছে গরু, না বয় হাল, তার দুঃখ চিরকাল ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন